১১ নভেম্বর, ২০১৮

ছাত্রলীগের খতিয়ান

খুন
১৪/১২/১৪- চবিতে ছাত্রলীগের দু' গ্রুপের সংঘর্ষ : নিহত ১ দলিল
২২/১১/১৪- ছাত্রলীগ বনাম ছাত্রলীগ, ছয় বছরে নিহত ৩৯ দলিল
২০/১১/১৪- শাবিপ্রবিতে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষ : নিহত ১ দলিল  দলিল
৫/১০/১৪- গজারিয়ায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ সংঘর্ষে নিহত ১ দলিল
৪/৯/১৪- ঝুঁট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ দলিল
১৩/৮/১৪- ছাত্রলীগ নেতা তপুর নির্দেশে এসপি ফজলুল করিমকে হত্যা দলিল
১৪/৭/১৪- নাইমুল ইসলাম রিয়াদকে হত্যা করেছে যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস দলিল দলিল
১৩/৬/১৪- পৌর আলীগ নেতা ইবাদত হোসেনকে হত্যা করেছে ছাত্রলীগ নেতা দলিল দলিল২
৫/৬/১৪- ছাত্রলীগের হামলায় ওসমানী মেডিকেলে ছাত্রদল নেতা নিহত দলিল
২৯/৫/১৪- কুমিল্লায় ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষে গুলি, এমপির ভাতিজা নিহত দলিল
৫/৪/১৪- লক্ষ্মীপুরে কোন্দলের জেরে ছাত্রলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা দলিল
৪/৪/১৪- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন্দলে ছাত্রলীগ নেতা খুন দলিল
২/৪/১৪- বাকৃবিতে কোন্দলে ছাত্রলীগ নেতা খুন দলিল   দলিল২
১০/৩/১৪- শ্রীপুরে সংঘর্ষে আহত ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু দলিল
১২/১/১৪- চবিতে ছাত্রলীগের হামলায় শিবিরের এক কর্মী নিহত দলিল 
...........................
১৮/৮/১৩- ছাত্রলীগের দুই নেতার পিটুনিতে আহত প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু দলিল
৮/৮/১৩- সীতাকুন্ডে ছাত্রলীগের হামলায় দুই জামায়াত-শিবির কর্মী নিহত দলিল
২৬/৬/১৩- ছাত্রলীগের খুনোখুনিতে সাড়ে চার বছরে নিহত ১৫ দলিল
২৬/৬/১৩- টেন্ডার নিয়ে যুবলীগ-ছাত্রলীগ বন্দুকযুদ্ধে রণক্ষেত্র চট্টগ্রাম। নিহত ২ দলিল
২৭/২/১৩- সারিয়াকান্দিতে ছাত্রলীগ নেতা খুন দলিল
৪/১/১৩-  ২০০৯-২০১২ এ চার বছরেই ২৫ জন ছাত্রকে হত্যা করেছে তারা দলিল

ধর্ষণ/ নারী নির্যাতন/ ব্যাভিচার 
১০/১/১৪- যাত্রার নামে অশ্লীল নাচ জুয়া খেলা চালাচ্ছেন ছাত্রলীগ নেতা দলিল
....................................
১৬/৪/১৩- নববর্ষের প্রথম দিনে দুই ছাত্রীকে মারধর করেছে জাবি ছাত্রলীগের দুই নেতা দলিল
১২/২/১৩- চবিতে ছাত্রী উত্ত্যক্তের অভিযোগে তিন ছাত্রলীগ কর্মী বহিষ্কার দলিল
১১/২/১৩- শাহবাগের নেত্রী লাকির উপর ছাত্রলীগের হামলা দলিল 
২২/১/১৩- রাতে ছাত্রীনিবাসে ঢুকে দুই ছাত্রলীগ নেতার হুমকি দলিল

শিক্ষক নির্যাতন 
১৫/১২/১৪- অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দিয়েছে ছাত্রলীগ দলিল
১৫/১২/১৪- প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে চবিতে ছাত্রলীগের ভাংচুর দলিল  
৩০/১১/১৪- শিক্ষককে ছাত্রলীগ নেতার হুমকি দলিল
১৩/১১/১৪- ছাত্রলীগে অচল হাবিপ্রবি দলিল
৮/১১/১৪- হাবিপ্রবিতে ছাত্রলীগ ও শিক্ষকদের একাংশ মুখোমুখি দলিল
২৯/৬/১৪- মহেশপুর সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের তালা অধ্যক্ষ অবরুদ্ধ দলিল
২৪/৬/১৪- রায়পুরে ছাত্রলীগকে চাঁদা না দেয়ায় কলেজ অধ্যক্ষ লাঞ্ছিত দলিল
৫/৩/১৪- সিলেটের মদন মোহন কলেজের অধ্যক্ষের অফিসে হামলা করেছে ছাত্রলীগ দলিল
.................................
১৭/১২/১৩- ইবিতে ছাত্রলীগের হামলায় শিক্ষকসহ আহত ১৫ দলিল
২৪/৮/১৩- রাবিতে ছাত্রলীগের হস্তক্ষেপে পরীক্ষা স্থগিত দলিল 
৯/৭/১৩- নকলে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে লাঞ্ছিত করল ছাত্রলীগ! দলিল
৮/৭/১৩- ঢাকা কলেজে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ দলিল
১/৭/১৩- চাঁদপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে অধ্যক্ষসহ শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করেছে ছাত্রলীগ দলিল
১৮/৪/১৩- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেছে ছাত্রলীগ দলিল
১৭/৪/১৩- বুয়েটে ছাত্রলীগ ও শিক্ষক সমিতি বিপরীত অবস্থানে দলিল
১২/১/১৩- শিক্ষকদের লাউঞ্জে ছাত্রলীগের হামলা! দলিল
৪/১/১৩- ২০০৯-২০১২ চার বছরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের হাতে অন্তত ৮০ জন শিক্ষক লাঞ্ছিত ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। দলিল

বিরোধী ছাত্র নির্যাতন/ আধিপত্য বিস্তার 
১১/১১/১৪- ছাত্রলীগের অপকর্মে জিম্মি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দলিল
৯/১০/১৪- বিএনপি নেতার বাড়িতে আগুন দিলো ছাত্রলীগ ক্যাডাররা দলিল
১৯/৮/১৪- রাবিতে অপহরণের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার দলিল
২৮/৮/১৪- পুলিশের সামনেই ছাত্রদল কর্মীকে পেটাল ছাত্রলীগ দলিল
২৪/৮/১৪- চবিতে শিবিরের উপর ছাত্রলীগের হামলা, সংঘর্ষ : আহত ১৫ দলিল
১০/৬/১৪- ছাত্রলীগের টর্চার সেল আবুসিনা ছাত্রাবাস দলিল
৬/৫/১৪- ঢামেকে ছাত্রলীগের সাথে ইন্টার্নী চিকিৎসকদের পাল্টাপাল্টি হামলা দলিল
৪/৪/১৪- শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা  জড়ো হলে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ হামলা চালায়। দলিল
১৯/৩/১৪- রাজশাহীতে ঘুমন্ত ছাত্রদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা হামলা
৮/৩/১৪- ছাত্রলীগের রেজা বাহিনীর কাছে পণবন্দী বরিশাল পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা দলিল
৩/৩/১৪- রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রজোটের ওপর ছাত্রলীগের হামলা দলিল
৮/২/১৪- বরিশাল পলিটেকনিকে ছাত্রলীগের হামলা দলিল
২/২/১৪- রাবিতে শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের হামলা, গুলি। দলিল
.......................................
২৯/৯/১৩- ঢাবিতে সিনেটের রেজিস্ট্রার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা দলিল
১৩/৯/১৩- লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উপর ছাত্রলীগের হামলা, সংঘর্ষ দলিল
২/৭/১৩- জাবিতে ছাত্রদল নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে ছাত্রলীগ দলিল
২০/৮/১৩- সিলেটে ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের ৫ জন আহত দলিল
২৯/৭/১৩- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের হামলায় আহত ২ দলিল 
১২/৭/১৩- কোটা বিরোধী আন্দোলনের ছাত্রলীগের হামলা ও নির্যাতন দলিল
২/৭/১৩- রায়পুর সরকারি কলেজে শিবির ও ছাত্রদলের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা আহত ৩০ দলিল
১/৪/১৩- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের উপর ছাত্রলীগের হামলা, সংঘর্ষ, ২৫ জন আহত দলিল
৪/১/১৩- শুধু ২০১২ সালেই দেশের ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা চালিয়ে ১০ জনকে হত্যা আর ১ হাজার ৭৮ জন শিক্ষার্থীকে আহত করে তারা।  দলিল
২৭/২/১৩- ছাত্রলীগের সন্ত্রসীরা কুয়েট শিবির নেতৃবৃন্দকে অবরুদ্ধ করে পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়েছে। দলিল
১/৬/১৩- কমলগঞ্জে ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষে আহত ৫ দলিল
১২/১/১৩- সিরাজগঞ্জে ছাত্রদলের উপর ছাত্রলীগের হামলা, সংঘর্ষ দলিল

টেন্ডার/চাঁদাবাজি/দখল 
১২/১২/১৪- বাড়তি চাঁদা না দেয়ায় মিরপুরে ৮টি বাস আটক করে ছাত্রলীগ দলিল
২৬/১১/১৪- টেন্ডার নিয়ে ছাত্রলীগ-ঠিকাদার ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দলিল
৯/১১/১৪- বরিশালে ছাত্রলীগের বেপরোয়া টেন্ডারবাজি দলিল
৪/১১/১৪- চট্টগ্রামে সব টেন্ডার ছাত্রলীগ-যুবলীগের দলিল
৩০/৯/১৪- কলাপাড়ায় খাল দখল করে মাছ চাষ ছাত্রলীগ ক্যাডারদের দলিল
২৭/৯/১৪- ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে দেড় লাখ টাকা ছিনতাই দলিল
৩১/৮/১৪- চাদাঁবাজী করতে গিয়ে ছাত্রলীগ ক্যাডার পিযুষ গ্রেফতার দলিল
২০/৮/১৪- রূপগঞ্জে ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি, ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ দলিল
১৭/৮/১৪- পরিবহন চাঁদাবাজির জেরেই পুরান ঢাকায় বাস ভাংচুর করে ছাত্রলীগ দলিল
৫/৮/১৪- বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না যশোর ছাত্রলীগের দলিল
১৭/৬/১৪- রাবিতে শিবির নেতার গোড়ালি বিচ্ছিন্ন করল ছাত্রলীগ দলিল
১৫/৬/১৪- ইমেজ সংকটে খুলনার ছাত্রলীগ-যুবলীগ দলিল
২৭/৪/১৪- ডিসিসি'র দোকান বরাদ্দ দিচ্ছে ছাত্রলীগ দলিল
২৪/৪/১৪- বরিশালে হঠাৎ বেপরোয়া ছাত্রলীগ ও যুবলীগ দলিল
১৩/৪/১৪- মগবাজারে ছিনতাইকালে অস্ত্রসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক দলিল
৩/৪/১৪- বেপরোয়া ঢাকা কলেজের ‘বহিষ্কৃত’ ছাত্রলীগ দলিল
২৯/৩/১৪- পিস্তল ঠেকিয়ে ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন ছাত্রলীগের দুই নেতাকর্মী দলিল
৫/৩/১৪- গাজীপুর ছাত্রলীগের তিন নেতার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ দলিল
১৬/২/১৩- ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি, দুটি ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ দলিল
৫/২/১৪- অস্ত্রবাজি ছিনতাই চাঁদাবাজি সব কিছুতেই ছাত্রলীগ দলিল
২২/১/১৪- বরিশালে বেড়েই চলেছে ছাত্রলীগ-যুবলীগের টেন্ডার সন্ত্রাস দলিল
২১/১/১৪- রায়পুরে টেন্ডারবাক্স ছিনিয়ে নিয়েছে ছাত্রলীগ দলিল
..................
১১/৭/১৩- ছাত্রলীগ নেতার চাঁদা দাবি, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার দলিল
১০/৭/১৩- ছাত্রলীগের সন্ত্রাস টেন্ডারবাজির প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধন দলিল
৬/৭/১৩- নদ থেকে অবৈধভাবে বালু তুলছেন ছাত্রলীগ নেতা দলিল
২৬/৬/১৩- চট্টগ্রামে দরপত্রের নিয়ন্ত্রক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ দলিল
২১/৪/১৩- চাঁদার দাবিতে কাজ বন্ধ করল ছাত্রলীগ! দলিল
১৪/৪/১৩- নববর্ষে চাঁদাবাজি, ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার ১১ দলিল
১/৪/১৩- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দুটি স্ট্যান্ড থেকে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের চাঁদাবাজি দলিল
২৬/৩/১৩- চাঁদা না পেয়ে ছাত্রলীগের ভাঙচুর দলিল
১৪/৩/১৩- ২০০ কক্ষের মধ্যে ৮৬টিই ‘দখল’ করেছে ছাত্রলীগ দলিল
৭/১/১৩- ছাত্রলীগের একটি সশস্ত্র গ্রুপ পুলিশের উপস্থিতিতে মাগুরা গণপূর্ত বিভাগের অর্ধ কোটি টাকার সিআইডি অফিস ভবন নির্মাণের দরপত্র ছিনতাই করেছে। দলিল
৩/২/১৩- বাড়িতে ঢুকে ছাত্রলীগ নেতার হামলা, লুটপাটের অভিযোগ দলিল
১৭/১/১৩- এক কোটি ১৫ লাখ টাকার টেন্ডার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে গণপূর্ত ভবনে লঙ্কাকাণ্ড ঘটিয়েছে ছাত্রলীগ। দলিল

সন্ত্রাসী কার্যক্রম 
২৫/১২/১৪- খালেদাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা করেছে ছাত্রলীগ দলিল
২১/১২/১৪- হাইমচরে প্রার্থীর গণসংযোগে হামলা দলিল
১৫/১২/১৪- প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে চবিতে ছাত্রলীগের ভাংচুর দলিল
৫/১২/১৪- ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা, সাতটিরই কারণ ছাত্রলীগ দলিল
১৩/১১/১৪- ছাত্রলীগে অচল হাবিপ্রবি দলিল
৮/১১/১৪- নেত্রকোনায় বিএনপি অফিসে ছাত্রলীগের হামলা : আহত ১০ দলিল
২২/১০/১৪- ইবির অস্ত্র প্রশিক্ষক সজিবের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে তালা দলিল
১/১০/১৪- দিনাজপুরে ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলায় ইউএনও আহত দলিল
২৫/৯/১৪- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের ২২ নেতাকর্মী বহিষ্কার দলিল
২১/৯/১৪- সিলেটে ২৮ শীর্ষ সন্ত্রাসীর দাপট দলিল
৩১/৮/১৪- বেপরোয়া ছাত্রলীগ দলিল
৩০/৮/১৪- রাবির মূর্তিমান আতংক ছাত্রলীগ নেতা তুহিন দলিল
২৫/৮/১৪- পুলিশ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে ইবি বন্ধ ঘোষণা দলিল
২০/৮/১৪- রাবিতে ছাত্রলীগের অপকর্মে অতিষ্ঠ সবাই। দলিল
৯/৮/১৪- সন্ত্রাসীর অভিযোগে বরিশালে ৩ ছাত্রলীগ কর্মী আটক দলিল
২৬/৭/১৪- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ক্লিনিকে ছাত্রলীগের হামলা ও ভাংচুর, তালা দলিল
১৮/৭/১৪- কক্সবাজার থানায় ছাত্রলীগের হামলা ভাংচুর, আহত ৫ দলিল
২৯/৬/১৪- কারমাইকেলে এইচএসসি ভর্তি বন্ধ করে দিয়েছে ছাত্রলীগ দলিল
২৭/৬/১৪- রাজশাহী ও দর্শনা কলেজে ছাত্রলীগের ভাংচুর দলিল
২৬/৬/১৪- সোনাইমুড়িতে কনস্টেবলকে পেটাল ছাত্রলীগ সভাপতি দলিল
২৫/৬/১৪- রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের হামলা ভাংচুর : আহত ৫ দলিল
১৫/৬/১৪- ছাত্রলীগের অপকর্মে আ'লীগের ইমেজ নষ্ট হচ্ছে : কাদের দলিল
১২/৬/১৪- পরীক্ষায় ফেল করে ভাংচুর ও তাণ্ডব চালিয়েছে পাবিপ্রবি'র ছাত্রলীগ নেতা মিজান দলিল
১৪/৫/১৪- এখনই রাশ টেনে ধরতে হবে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস দলিল
১৫/৫/১৪- ঢাবি ছাত্রীকে কক্ষ ত্যাগে ছাত্রলীগ নেতাদের চাপ দলিল
১৪/৫/১৪- রাবিতে পিস্তলের মুখে পরীক্ষা বন্ধ করল ছাত্রলীগ দলিল
১৩/৫/১৪- রাবিতে হলে তালা দিয়েপরীক্ষা বন্ধ করলো ছাত্রলীগ দলিল
১০/৫/১৪- অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়: ছাত্রলীগের ৪ নেতা বহিষ্কার দলিল
১১/৩/১৪- চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের ১১ নেতা কারাগারে দলিল
১৩/৩/১৪- পাবনায় ২ কোটি টাকার কাজ না পেয়ে ছাত্রলীগের ভাংচুর দলিল
৬/৩/১৪- কবিরহাট থানায় আ.লীগের হামলা, পুলিশসহ আহত ৭ দলিল
২/১/১৪- বাসে আগুন দিতে গিয়ে ৩ ছাত্রলীগ কর্মী আটক দলিল
২৫/১/১৪- চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রলীগের তাণ্ডব ৮ জনকে কুপিয়ে জখম দলিল
.....................
২৯/১২/১৩- আইনজীবীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা। সুপ্রিমকোর্টে ভাংচুর, আগুন। দলিল
৩/১০/১৩- রূপগঞ্জে ডিবি পুলিশের ওপর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলা দলিল
১৫/৯/১৩- সিলেটে বাসদের সমাবেশে ছাত্রলীগের হামলা দলিল
১৬/৮/১৩- ছাত্রলীগের দুই নেতার পিটুনিতে প্রতিবন্ধী তরুণ হাসপাতালে দলিল
২৩/৭/১৩- নাটোর পৌর মেয়রকে অবরুদ্ধ করে রাখলেন ছাত্রলীগ নেতা দলিল 
২৩/৭/১৩- পীরগঞ্জে ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তাকে পেটাল ছাত্রলীগ দলিল 
১৯/৭/১৩- ছাত্রলীগ এবার পেটাল অটোরিকশার চালকদের দলিল
২/৭/১৩- কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে আমন্ত্রণ না পাওয়ায় কলেজে ছাত্রলীগের ভাঙচুর দলিল
২৬/৬/১৩- আখেরি ধান্ধায় ছাত্রলীগ ভয়াবহ বেপরোয়া দলিল
২৪/৬/১৩- নীলফামারী সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের হামলা-ভাঙচুর দলিল 
১১/৬/১৩- গাড়ি পার্কিং করা নিয়ে রাজধানীর গুলশানে ডিসিসি মার্কেটে তাণ্ডব চালিয়েছে ছাত্রলীগ ক্যাডারা। দলিল দলিল 
২৩/৫/১৩ সিলেটে বেপরোয়া ছাত্রলীগ, ধরাছোঁয়ার বাইরে রাজন দলিল
৮/৪/১৩- চট্টগ্রামে হেফাজতের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ দলিল
২/৪/১৩- মাগুরা সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ৩ দলিল
১/৭/১৩- ছাত্রলীগ নেতার হাতে তানোর থানার পুলিশ কর্মকর্তা লাঞ্ছিত দলিল 
৬/২/১৩- ফেল করায় অস্ত্রধারী সেই ছাত্রলীগ নেতার তাণ্ডব দলিল

ভর্তি, নিয়োগ ও পদ বাণিজ্য 
১৭/১১/১৪- কবি নজরুল কলেজে অনার্সের ভর্তি ফরমে ছাত্রলীগের চাঁদা আদায় দলিল
১২/১১/১৪- ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিসিএস পাসের দায়িত্ব আ'লীগের দলিল
২৮/৯/১৪- ছাত্রলীগ নেতার কক্ষ সিলগালা ঢাবি ছাত্রসহ আটক ৮ দলিল
২৬/৯/১৪- ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি: ছাত্রলীগ নেতাসহ আটক ৩৫ দলিল
২২/৯/১৪- ছাত্র নয় তবু ছাত্রলীগ নেতা দলিল
৯/৮/১৪- ছাত্রলীগের ৮৬টি কমিটিই মেয়াদোত্তীর্ণ দলিল
১০/৭/১৪- রংপুর সরকারি কলেজে ভর্তি-বাণিজ্য দলিল
৬/৭/১৪- রাজশাহী সিটি কলেজে ছাত্রলীগের ভাঙচুর দলিল
১/৭/১৪- গুরুদয়াল কলেজে ছাত্রলীগের বাধায় ভর্তি বন্ধ দলিল
১৩/৭/১৪- কলেজগুলোতে ছাত্রলীগের ‘ভর্তি-বাণিজ্য’ দলিল
৪/৩/১৪- ছাত্রলীগের নেতৃত্বে অনিয়মিতরা দলিল
১০/১/১৪- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি ‘যুবলীগের’, সেকশন অফিসাররা ছাত্রলীগের দলিল
..............................
৪/৭/১৩- পুরান ঢাকার দুই কলেজ ছাত্রলীগকে ১২-১৫ হাজার টাকা দিলে ভর্তি মেলে! দলিল
১৩/৫/১৩-  ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগে কমিটি বাণিজ্য দলিল

অস্ত্রবাজি 
২৬/১২/১৪- গুলি বর্ষণকারী কে এই ফয়েজ? দলিল
১৫/১২/১৪- আশার পিস্তলের গুলিতেই প্রাণ হারান তাপস দলিল
১৪/১২/১৪- চবির শাহজালাল হল থেকে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ১ দলিল
১৪/১১/১৪- চার বন্ধুর অস্ত্র বাণিজ্য  দলিল
১৭/৯/১৪- বরিশালে আবারও অস্ত্রের ঝনঝনানি দলিল
৯/৯/১৪- সেই ইবি প্রক্টরকে অব্যাহতি  দলিল
৮/৯/১৪- ইবি ছাত্রলীগ নেতাদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র! দলিল দলিল
২৯/৮/১৪- রাবি ছাত্রলীগ সম্পাদক তুহিনকে অব্যাহতি দলিল
১৬/৮/১৪- রাবিতে অস্ত্রসহ আটক দুই ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দলিল
১৪/৫/১৪- রাবিতে পিস্তলের মুখে পরীক্ষা বন্ধ করল ছাত্রলীগ দলিল
১৩/৪/১৪- মগবাজারে ছিনতাইকালে অস্ত্রসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক দলিল
১/৪/১৪- ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, গুলি দলিল
১/৪/১৪- রাবির সেই অস্ত্রধারী ছাত্রলীগ নেতাদের ২ জন গ্রেফতার দলিল
১০/৩/১৪- ডিইপিজেড থেকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা গ্রেফতার দলিল
২০/২/১৩- সিলেটের এমসি কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সশস্ত্র মহড়া, গুলি দলিল
৬/২/১৪- অস্ত্রবাজেরা উঁচু পদে দলিল
৫/২/১৪- অস্ত্রবাজি ছিনতাই চাঁদাবাজি সব কিছুতেই ছাত্রলীগ দলিল
৩/২/১৪- রাবিতে ছাত্রদের উপর ছাত্রলীগের অস্ত্রধারীদের হামলা দলিল
.......................................
২৯/১১/১৩- জাবির দুই হলের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের গোলাগুলি দলিল
২২/১০/১৩- সিলেটের বিয়ানীবাজারে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় আহত ১০ দলিল
২২/৯/১৩- রামগঞ্জে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, গুলি। আহত ২০। দলিল
১৮/৮/১৩- চট্টগ্রামে প্রতিপক্ষের গুলিতে ছাত্রলীগ কর্মী আহত দলিল
২২/৭/১৩- সেই অস্ত্রধারী ক্যাডার তুহিন এবার রাবি ছাত্রলীগের সম্পাদক দলিল
১৭/১/১৩- ইবিতে পুলিশের বন্দুক কেড়ে নিয়ে গুলি' চালাল ছাত্রলীগ নেতা। দলিল
২০/৫/১৩- এমসি কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, গুলি বিনিময়। দলিল

সাংবাদিক নির্যাতন
৮/১১/১৪- নরসিংদীতে ছাত্রলীগ নেতাসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দলিল
৬/১১/১৪- ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে নরসিংদীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন দলিল
১৪/৭/১৪- ঢাবির ৮ সাংবাদিককে কোপালো ছাত্রলীগ দলিল
২১/৪/১৪- সাংবাদিকদের দেখে নেয়ার হুমকি বাকৃবি ছাত্রলীগ সভাপতির দলিল  
২৭/২/১৪- ময়মনসিংহে ছাত্রলীগ নামধারী ইন্টার্নি চিকিৎসকদের তাণ্ডব দলিল
..........................................
২০/৭/১৩- চবি সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে ছাত্রলীগের তালা দলিল
৩০/৫/১৩- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের হামলায় সাংবাদিকসহ আহত ৪ দলিল
১৪/৪/১৩- পাঁচ সাংবাদিকের ওপর হামলা করেছে ছাত্রলীগ।  দলিল
১১/২/১৩- নয়াদিগন্ত অফিসে হামলা করা সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করেছে ছাত্রলীগ দলিল

দলীয় কোন্দল
১৫/১২/১৪- নিজেদের গুলিতে ফের রক্তাক্ত ছাত্রলীগ দলিল
২৯/১১/১৪- কারমাইকেল কলেজের ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম দলিল
২১/১১/১৪- সিলেটে ২৬ বছরে ছাত্র রাজনীতির বলি ৪৬ জন দলিল
২২/১১/১৪- ছাত্রলীগ বনাম ছাত্রলীগ, ছয় বছরে নিহত ৩৯ দলিল
২৮/১১/১৪- ফরিদগঞ্জে ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ আটক : সড়ক অবরোধ দলিল
২৫/১১/১৪- চবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ : আহত ২ দলিল
২৩/১১/১৪- সিলেটে ছাত্রলীগ ১৮ ভাগ দলিল
২২/১১/১৪- দলীয় কোন্দলে ৬ বছরে ছাত্রলীগ থেকে ১০৪৭ জন বহিষ্কার দলিল
১৯/১১/১৪- দিনাজপুর মেডিকেলে ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষ দলিল
১৯/১১/১৪- সিদ্ধিরগঞ্জে ছাত্রলীগ-যুবলীগ সংঘর্ষে আহত ৮ দলিল
১৮/১১/১৪- মির্জাপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় ছাত্রলীগ নেতাসহ আহত ৫ দলিল
১৮/১১/১৪- আঞ্চলিক কোন্দলে সীমাবদ্ধ ইবি ছাত্রলীগ দলিল
১৪/১১/১৪- রাজাপুরে ফের ছাত্রলীগের সংঘর্ষ : আহত ৮ দলিল
২১/১০/১৪- ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ভাসানী ভার্সিটিতে সব পরীক্ষা স্থগিত, ১৫ ছাত্র বহিষ্কার দলিল
২০/১০/১৪- কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের বিবাদমান দুটি গ্র“পের মধ্যে সংঘর্ষ আহত ২০ দলিল
১৭/১০/১৪- গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২৫ দলিল
১৯/৯/১৪- ঢামেকে ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষ রাব্বী হল বন্ধ দলিল
১৮/৯/১৪- ছাত্রলীগ বনাম ছাত্রলীগ! দলিল
১৮/৯/১৪- কোন্দলে রুয়েট বন্ধ ঘোষণা দলিল
৯/৯/১৪- মিরসরাইয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে হামলায় আহত ১০ দলিল
২৩/৮/১৪- কোন্দলের কারণে জাবি ছাত্রলীগের ১৬ নেতাকর্মী বহিষ্কার দলিল
১৭/৬/১৪- ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের জেরে চুয়েট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ দলিল
১২/৬/১৪- গৌরীপুরে ছাত্রলীগের সংবাদ সম্মেলনে অপর গ্রুপের হামলা দলিল
২৯/৫/১৪- জবিতে ছাত্রলীগ কর্মীর রগ কাটলো ছাত্রলীগ দলিল
২০/৫/১৪- সিলেটে ছাত্রলীগ ক্যাডার ছায়েফ গ্রেফতার দলিল
২০/৪/১৪- সারাদেশে ছাত্রলীগের প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ দলিল
১২/৪/১৪- ঢাবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ দলিল
৭/৪/১৪- শজিমেকে ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষ আহত ৭ দলিল
৬/৪/১৪- ছাত্রলীগ জুতার মালা পরালো এক আ.লীগ নেতাকে দলিল
১/৪/১৪- ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, গুলি দলিল
৬/৩/১৪- ঢাবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ : আহত ১০ দলিল
৩/৩/১৪- জাবিতে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষ দলিল
২২/২/১৪- হবিগঞ্জের মাধবপুরে শহীদ মিনারে ফুল দেয়া নিয়ে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের দুদফা সংঘর্ষ দলিল
৯/২/১৪- সিলেটে আলীগ ছাত্রলীগ সংঘর্ষ আটক ১২ দলিল
৬/২/১৪- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী হলে ছাত্রলীগের মারামারি দলিল
৩১/১/১৪- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, বহিষ্কার ৪ দলিল
২৮/১/১৪- চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ: প্রতিপক্ষকে ঘায়েলে ব্যস্ত দুই পক্ষ দলিল
২৮/১/১৪- ফেসবুক স্ট্যাটাস: ছাত্রলীগের দুই নেতাকে শাস্তি দলিল
১৭/১/১৪- চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৫ দলিল
১৭/১/১৪- বগুড়ায় ছাত্রলীগের জেলা কার্যালয়ে তালা দলিল
..............................
২৯/১১/১৩- জাবির দুই হলের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের গোলাগুলি দলিল
২২/১০/১৩- সিলেটের বিয়ানীবাজারে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় আহত ১০ দলিল
২২/৯/১৩- রামগঞ্জে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, গুলি। আহত ২০। দলিল
১১/৯/১৩- ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে রূপগঞ্জ রণক্ষেত্র দলিল
২৩/৮/১৩- কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের ভাঙচুর দলিল
২৩/৮/১৩- যশোরে ছাত্রলীগ অফিসে বোমা হামলা, আহত ১ দলিল
১৮/৮/১৩- চট্টগ্রামে প্রতিপক্ষের গুলিতে ছাত্রলীগ কর্মী আহত দলিল
১৯/৬/১৩- চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর দলিল
২৭/৫/১৩- জগন্নাথে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৫ দলিল
২১/৫/১৩- পুলিশ থেকে অস্ত্রধারীকে ছিনিয়ে নিল ছাত্রলীগ দলিল
২০/৫/১৩- এমসি কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, গুলি বিনিময়। দলিল
১৯/৫/১৩- সিলেটে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের গোলাগুলি দলিল
২৪/৪/১৩- ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন দলিল
২৩/৪/১৩- জগন্নাথ হলে গোলাগুলি, আহত ৬ দলিল
৪/৪/১৩- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুই অংশের সংঘর্ষে একজন আহত দলিল
১০/৩/১৩- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নেতার কক্ষে ছাত্রলীগের ভাঙচুর দলিল
২০/২/১৩- সিলেটের এমসি কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সশস্ত্র মহড়া, গুলি দলিল
২৩/১/১৩-  পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫ লাখ টাকার কাজের দরপত্র দাখিল নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষ হয়েছে। দলিল
১/৭/১৩- বাঁশখালীতে ছাত্রলীগের দু‌'গ্রুপের সংঘর্ষ : আহত-১০ দলিল

মাদক সন্ত্রাস
১৩/১১/১৪- ইবি প্রক্টরের গাড়িতে ছাত্রলীগ নেতার মদপান, ক্যাম্পাসে তোলপাড় দলিল
২৫/২/১৪- খুলনা ছাত্রলীগের শীর্ষ ১১ নেতা মাদক ব্যবসায় জড়িত দলিল 

৭ নভেম্বর, ২০১৮

৭ নভেম্বর কী হয়েছিল? কারা ঘটিয়েছিল? কেন ঘটিয়েছিল?

খালেদ মোশাররফ, কর্নেল তাহের, জিয়াউর রহমান

২ থেকে ৭ নভেম্বর । বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কুয়াশাচ্ছন এবং ঘোলাটে অধ্যায়। অনেকে এটাকে বলেন “কলঙ্কিত অধ্যায়’ কিংবা “মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস’ আবার অনেকেই বলেন ‘জাতীয় সংহতি এবং বিপ্লব দিবস’।

যারা এটাকে “কলঙ্কিত অধ্যায়’ বলেন তারা যে এটাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বলেন না তার প্রমাণ কী? আর যারা বলেন ‘জাতীয় বিপ্লব এবং সংহতি দিবস’ তারাই বা কতটুকু সত্যাশ্রয়ী?

মজার বিষয় হলো দুপক্ষই এখানে কর্নেল তাহেরকে উহ্য রাখেন। অথচ এই বিপ্লবের/ হত্যাযজ্ঞের মূল নায়ক তাহের।

যারা বলেন বিপ্লব তারাই বিপ্লবের নায়ক তাহেরকে অস্বীকার করে জিয়াকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে। আবার যারা বলেন হত্যাযজ্ঞ তারা খুব ভালোবাসা দেখান খালেদ মোশাররফের প্রতি। আর মূল হত্যাকারী তাহেরকে রাখেন উহ্য। তাদের আক্রমণের মূল টার্গেট জিয়াউর রহমান।

এটাই হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের চরিত্র। তারা যে যার মতো মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবহার করে। যেভাবে তাদের সুবিধা।

আন্দোলনে শেখ মুজিব দক্ষ হলেও দেশ পরিচালনায় তার দক্ষতার ঘাটতি ছিল প্রকট। তাছাড়া কিছু ঘটনা এবং তার অপরিপক্ক কিছু সিদ্ধান্ত জনগন ও সেনাবাহিনীতে বিরুপ প্রতিক্রিয়া ফেলে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো রক্ষীবাহিনী গঠন।

মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারদের মোটেই বিশ্বাস করতেন না মুজিব। এর কারণ তারা প্রায়ই অবাধ্য আচরণ করতেন। ৭১ এ সফল ক্যু করার কারণে তারা চেইন অব কমান্ড মানতেন না। ভারতীয় গোয়েন্দাদের সাথে তাদের ছিল ওপেন যোগাযোগ। অনেকে অনুমতি ছাড়াই ভারত সফর করতেন নিজের ইচ্ছানুযায়ী।

সেনাবাহিনী থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য মুজিব সম্পূর্ণ নিজের মত করে সেনাবাহিনীর প্রতিদ্বন্দ্বি একটি একটি সশস্ত্র বাহিনী তৈরি করেছেন। কিন্তু ঐ বাহিনী মুজিবের ইচ্ছানুযায়ী না হলেও তার চরিত্র অনুযায়ী হয়েছে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ.এন.এম. নূরুজ্জামান বীর উত্তম, রক্ষীবাহিনীর ১ম ডিরেক্টর 

মুজিব তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে দিয়েছেন। মুজিবের প্রশ্রয়ে তারা সারা দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করে। গুন্ডামী, ডাকাতি, নারী নির্যাতন, ছিনতাইসহ এমন কোন অপরাধ বাকী ছিল না যা তারা করেনি।

সেনাবাহিনীকে কন্ট্রোল করার জন্য তিনি আরেকটি ব্যবস্থা নিয়েছেন। তিনি পাকিস্তানে থাকা স্বাধীনতাবিরোধী সেনা অফিসারদের নিয়ে এসে দেশের সেনাবাহিনীতে পুনর্বাসন করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলাদেশে দশম রাষ্ট্রপতি লেজেহুমু এরশাদ। এই দুটো বিষয় সেনাবাহিনীকে ক্ষেপিয়েছে প্রচুর।

একই সাথে মুজিব রাজনৈতিক বিরোধীদের উপর চালিয়েছেন নিষ্ঠুরতম নির্যাতন। এই নির্যাতনেও ব্যবহার করা হয়েছে রক্ষীবাহিনী।

সব মিলিয়ে মুজিবের ভয়ংকর দুঃশাসনের বিরুদ্ধে পুরো বাংলাদেশের অবস্থান ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি ছিল শ্বাসরুদ্ধকর। আর সে সময়ে এর সদ্ব্যবহার করে সেনাবাহীনির কিছু ক্ষমতালোভী, উচ্ছৃঙ্খল মুক্তিযোদ্ধা অফিসার। তারা মুজিবকে সপরিবারে হত্যা করে।

এটি সেনাবাহিনীর কিছু সদস্যের কাজ হলেও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোন বাধাই আসেনি। এর দ্বারা বলা যায় পুরো সেনাবাহিনী হত্যাকান্ডে জড়িত না হলেও এই হত্যাকান্ডে সবার সাপোর্ট ছিল। তখন সেনাপ্রধান ছিল কে এম শফিউল্লাহ।

জাসদের উপরে নির্যাতন চালানোতে জাসদও শেখ মুজিবের পতন চেয়েছিলো। জাসদের মধ্যে কেউ কেউ শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে বিশ্বাসী ছিলেন। কেউ কেউ আবার রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতার পরিবর্তন চেয়েছিল।

মুজিবের বিরুদ্ধে ক্যু করা সেনা অফিসারগণ

নানান ঘটনা ও উপঘটনার মধ্য দিয়ে পাল্টা ক্যু হয় মেজর ফারুক. মেজর রশিদ এবং খন্দকার মোশতাক আহমেদ-এর গড়া সরকারের বিরুদ্ধে। আরও একটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ৩রা নভেম্বর, ১৯৭৫- তারা ক্ষমতাচ্যুত হয়। এই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন জেনারেল খালেদ মোশাররফ, বীর উত্তম, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাকে সহায়তা করে রক্ষীবাহিনী।

৬ নভেম্বরের মাঝরাতে ঢাকা সেনানিবাসে একদল সৈন্য অস্ত্রাগারের কপাট খুলে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গুলি ছুড়তে ছুড়তে সূচনা করে ‘সিপাহি বিদ্রোহ’। অনুঘটকের কাজটি করেছিল বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা। এটি ছিল প্রথাবিরোধী রাজনৈতিক দল জাসদের একটি সংগঠন। বলা চলে সেনানিবাসগুলোতে জাসদের শাখা বা অঙ্গসংগঠন।

সৈনিকদের সংগঠিত করার কাজটি শুরু হয়েছিল ১৯৭৩ সালে। এর ধারণাগত ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায় জাসদ তৈরি হওয়ার আগেই। বাংলাদেশের খসড়া সংবিধানের ওপর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ২০ অক্টোবর ১৯৭২ সাবেক ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব ও শাজাহান সিরাজের নামে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ‘প্রতিরক্ষা বিষয়ে ধনতান্ত্রিক দেশগুলোর মতো পেশাদার সেনাবাহিনী বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু যে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে দেশরক্ষা বাহিনী জনগণের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছিল এবং যে দেশ সমাজতন্ত্রমুখী, সে দেশে পেশাদার সেনাবাহিনী না রেখে “পিপলস আর্মি” গঠন করাই বেশি যুক্তিসংগত।’ (গণকণ্ঠ, ২১ অক্টোবর ১৯৭২)।

৩১ অক্টোবর ১৯৭২ জাসদের জন্মমুহূর্তে ‘সামাজিক বিপ্লবের প্রয়োজনে জনমত গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সম্ভাব্য সকল প্রকার পন্থা অবলম্বন করার’ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল (গণকণ্ঠ, ১ নভেম্বর ১৯৭২)।

সেক্টর কমান্ডার ও জাসদের ১ম সভাপতি আব্দুল জলিল

মুক্তিযুদ্ধে নবম সেক্টরের অধিনায়ক মেজর মো. আবদুল জলিল সেনাবাহিনী থেকে পদত্যাগ করে জাসদে যোগ দিয়েছিলেন। সেনাছাউনিগুলোতে সৈনিকদের সংগঠন গড়ে তোলার কাজটি তিনিই শুরু করেন। সশস্ত্র বাহিনীর নন-কমিশন্ড ও জুনিয়র কমিশন্ড অফিসাররাই ছিলেন মাঠপর্যায়ের সংগঠক। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন করপোরাল আলতাফ হোসেন, নায়েক সিদ্দিকুর রহমান, হাবিলদার আবদুল হাই মজুমদার, নায়েব সুবেদার বজলুর রহমান, নায়েব সুবেদার মাহবুবুর রহমান, নায়েব সুবেদার জালাল, নায়েক আবদুল বারী, হাবিলদার আবদুল বারেক প্রমুখ।

১৭ মার্চ ১৯৭৪, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এম মনসুর আলীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে মেজর জলিলসহ কয়েকজন জাসদ নেতা গ্রেপ্তার হন। জেল থেকে চিঠি পাঠিয়ে জলিল সামরিক বাহিনীতে যাঁরা সংগঠকের দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের লে. কর্নেল (অব.) আবু তাহেরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে বলেন। তাহের সেনাবাহিনী ছেড়ে এলেও সরকারি চাকরিতে বহাল ছিলেন এবং গোপনে জাসদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। এরপর জাসদের পক্ষ থেকে সৈনিক সংস্থার দেখভাল তিনিই করতেন। 

নভেম্বর কান্ডের নায়ক কর্নেল আবু তাহের 

সেনাবাহিনীতে ডেপুটি চিফ অব স্টাফ জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে এবং জিয়ার প্রশ্রয়ে সৈনিক সংস্থা বিস্তৃতি লাভ করেছিল। জিয়ার পক্ষে তাহের খুব ভালোভাবেই জিয়ার প্রতি সহানুভূতিশীল সাধারণ সৈন্যদের সংগঠিত করতে পেরেছিলেন। 

এদের একটা ছোট অংশ জাসদের রাজনীতির ব্যাপারে ওয়াকিবহাল ছিল। তাঁরা ‘সামাজিক বিপ্লবের’ একটা ধারণা লালন করলেও বেশির ভাগ সৈন্য ছিল এস্টাবলিশমেন্ট-বিরোধী, তথা আওয়ামী লীগ ও তার নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবের ঘোর বিরোধী। সেনাবাহিনীর রাজনীতিকীকরণ শুরু হয়েছিল একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই। সৈনিক সংস্থা এই রাজনীতিকীকরণকে আরও উসকে দেয়।

আবু তাহেরকে নিয়ে পরে অনেক গল্প তৈরি হয়েছে। তিনি সৈনিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা নন। ১৯৭৩ সাল থেকেই জাসদ নেতৃত্ব একটা ‘বিপ্লবী পার্টি’ গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় চুয়াত্তরের জুনে ‘বিপ্লবী গণবাহিনী’ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি চলছিল বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার কার্যক্রম। জাসদের বিকাশমান বিপ্লবী পার্টির কার্যক্রমের দায়িত্ব একেকজনের ছিল একেক রকম। তাহের সেনাবাহিনীর কাজটি দেখভাল এবং জিয়াউর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্বে ছিলেন। দলের সুপ্রিম নেতা ছিলেন সিরাজুল আলম খান।

৭ নভেম্বরের পরদিন জাতির উদ্দেশ্যে জিয়ার ভাষণ

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হলে জিয়া সেনাপ্রধান হন। কিন্তু একচ্ছত্র ক্ষমতা তিনি পাননি। ওই সময় জাসদের প্রধান নেতারা হয় জেলে, নয়তো ঢাকা কিংবা দেশের বাইরে। তাহেরের হাতে জাসদের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই চলে যায়। তিনি অনেক বিষয়েই জাসদের রাজনৈতিক ম্যান্ডেটের বাইরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিতেন।

৩ নভেম্বর সেনাবাহিনীর গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বের কারণে মোশতাক-জিয়ার বিরুদ্ধে ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে একটি সামরিক অভ্যুত্থান হয়। অসামরিক নেতৃত্বে কোনো রাজনৈতিক সরকার যাতে গঠিত না হতে পারে সে জন্য চারজন জাতীয় নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয়। তাদেরকে মুজিব হত্যাকারীরা খুন করেছে বলে প্রবলভাবে ধারণা করা হয়। সেনানিবাসগুলো অস্থির হয়ে পড়ে। 

জাসদ এই সুযোগটা নিতে চেয়েছিল। ষাটের দশকের গণতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী ধারার রাজনীতির উত্তরাধিকার বহনকারী জাসদের মূল নেতৃত্বের চিন্তায় তখনো কাজ করছে ১৯৬৬, ১৯৬৯ ও ১৯৭১-এর গণসংগ্রামের মডেল। সিদ্ধান্ত হলো ৯ নভেম্বর থেকে লাগাতার হরতাল হবে এবং ঢাকার আশপাশের এলাকা থেকে শ্রমিকদের জড়ো করে ঢাকায় ‘গণ-অভ্যুত্থান’ সৃষ্টি করতে হবে।

৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকায় বসল জাসদের বিপ্লবী পার্টির ইমার্জেন্সি স্ট্যান্ডিং কমিটির সভা। হঠাৎ করেই সেখানে তাহের এসে উপস্থিত হন এবং ঢাকা সেনানিবাসে নিজ গৃহে অন্তরীণ জিয়ার হাতের লেখা একটা চিরকুট পড়ে শোনান। চিরকুটটা ইংরেজিতে। বাংলা তরজমা করলে তার অর্থ হবে—আমি বন্দী, নেতৃত্ব দিতে পারছি না। আমার লোকেরা তৈরি। তুমি যদি নেতৃত্ব দাও, আমার লোকেরা তোমার সঙ্গে যোগ দেবে। (জাসদের উত্থান-পতন: অস্থির সময়ের রাজনীতি, প্রথমা প্রকাশন)। 

তাহের প্রস্তাব দেন, জিয়াকে সামনে রেখে অভ্যুত্থান ঘটাতে হবে। ঘটনার আকস্মিকতায় সভায় উপস্থিত জাসদ নেতারা বেশ বেকায়দায় ছিলেন। তাঁরা একপর্যায়ে তাহেরের প্রস্তাবে সম্মতি দেন। অবশ্য তাহের জাসদ নেতাদের সম্মতির অপেক্ষায় থাকেননি। ওই দিন দুপুরেই তিনি সৈনিক সংস্থার সংগঠকদের জানিয়ে দিয়েছিলেন, মধ্যরাতে অভ্যুত্থান শুরু হবে।

অভ্যুত্থানের উদ্দেশ্য হলো 
১. খালেদ মোশাররফ চক্রকে উৎখাত করা; 
২. বন্দিদশা থেকে জিয়াকে মুক্ত করা; 
৩. একটা বিপ্লবী মিলিটারি কমান্ড কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করা; 
৪. রাজবন্দীদের মুক্তি দেওয়া; 
৫. রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহার করা; 
৬. বাকশাল বাদে অন্য সব দলকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন; এবং 
৭. সৈনিক সংস্থার ১২ দফা দাবি বাস্তবায়ন করা।
৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার উল্লাস

রাত ১২টায় শুরু হয় অভ্যুত্থান। প্রথম প্রহরেই জিয়া মুক্ত হন। ঘণ্টা চারেকের মধ্যেই জিয়া-তাহেরের সমীকরণ ভেঙে যায়। ভোরে বেতারের বুলেটিনে সবাই জানতে পারেন, সিপাহি বিপ্লব হয়েছে এবং জিয়া মুক্ত হয়েছেন। ঢাকার রাস্তায় সেনাবাহিনীর ট্যাংক-লরি ইতস্তত ঘোরাফেরা করতে থাকে। আমজনতা পথের পাশে দাঁড়িয়ে উল্লাস করে, হাততালি দেয় এবং অনেকে জীবনে প্রথমবারের মতো ট্যাংকে বা সেনাবাহিনীর ট্রাকে চড়ে ঢাকার রাস্তায় ঘুরে বেড়ান।

জনতা ও সৈনিকদের এমন সমর্থন পাওয়ার মূল কারণ ছিল মুজিবের ভয়ংকর দুঃশাসন। মানুষ সেই দুঃশাসন থেকে মুক্তি পেতে চেয়েছিলো, সেটা যেভাবেই হোক। খালেদ মোশাররফ মুজিবের পক্ষ হয়ে পাল্টা ক্যু করার কারণে মানুষ খালেদকে ঘৃণা করতে শুরু করে। রক্ষীবাহিনীর নির্যাতনও অন্যতম কারণ ছিলো। 

জাসদের কোনো পূর্বপ্রস্তুতি যে ছিল না, তা কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যায়। কয়েক শ সৈনিক ও জাসদ কর্মী একটি ট্যাংক নিয়ে ৭ নভেম্বর ভোরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মূল ফটকের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। ভেতর থেকে বেরিয়ে আসেন জাসদ নেতা এম এ আউয়াল, মো. শাহজাহান ও মির্জা সুলতান রাজা। কারাগারে তখন শত শত জাসদ কর্মী। তাঁরা তিনজন সবাইকে উদ্দেশ করে বললেন, ‘আপনারা অপেক্ষা করুন। আমরা বাইরে গিয়ে পরিস্থিতিটা দেখি।’ তাঁরা আর ফিরে আসেননি। ওই কর্মীরা অনেক দিন কারাবন্দী ছিলেন। কেউ দুই বছর, কেউ তিন বছর, কেউবা তার চেয়েও বেশি।

তাহের ক্ষমতার লড়াইয়ে ছিটকে পড়লেও নিজের শক্তি সম্পর্কে সচেতন ছিলেন না। রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ তাহের সরাসরি জিয়ার সঙ্গে সংঘাতে গেলেন। তিনি প্রতিপক্ষের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হলেন এবং একই সঙ্গে জিয়ার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে জাসদকেও ডোবালেন। সাধারণ মানুষ চেয়েছিল স্বস্তি এবং শান্তি। তারা অস্থিরচিত্তের তাহের ও জাসদের পক্ষে দাঁড়ায়নি।

নেপথ্য নায়ক তাহের হলেও জনতার সামনে নায়ক হিসেবে উপস্থাপিত হয় জিয়াউর রহমান 

জিয়া-তাহেরের এই ‘বিপ্লব’ ছিল ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের বিরুদ্ধে। ৭ নভেম্বর সকালে বন্দী অবস্থায় খালেদ নিহত হলেন। তাঁর সঙ্গে তাঁর দুজন সহযোগী কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা ও লে. কর্নেল এ টি এম হায়দারও নিহত হন। এই তিনজনই ছিলেন একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা। তাঁদের স্মরণে ওই দিনটি অনেকেই মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস হিসেবে পালন করেন।

ক্ষমতার ত্রিভুজ লড়াইয়ে জিয়া-তাহেরের সম্মিলিত শক্তির কাছে খালেদ হেরে গিয়েছিলেন। পরে জিয়া-তাহেরের মধ্যকার দ্বন্দ্বে তাহের ছিটকে পড়েন। ২১ জুলাই ১৯৭৬ দেশদ্রোহী হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা তাহেরকে ফাঁসি দেওয়া হয়। ক্ষমতার মূল লড়াইয়ে আবেগ বা মান-অভিমানের কোনো জায়গা নেই। হেরে গেলে মূল্য দিতে হয়, এটাই চরম সত্য।

সৈনিক সংস্থার সংগঠকেরা অনেকেই গ্রেপ্তার হন, কেউ কেউ আত্মগোপন করেন। এদের সামনের কাতারের নেতা করপোরাল আলতাফের অনুপস্থিতিতে তাঁকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ১৯৭৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানার একটা গ্রামে টাঙ্গাইলের গণবাহিনী কমান্ডার খন্দকার আবদুল বাতেনসহ একদল কৃষকের সঙ্গে সভা করার সময় পুলিশের অতর্কিত আক্রমণে তিনি নিহত হন। খন্দকার বাতেন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। আলতাফের লাশ পাওয়া যায়নি। বাতেন পরে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে জাতীয় সংসদের সদস্য হয়েছিলেন।

এতে ১৯৭৬ সালের ২১শে জুলাই কর্নেল তাহেরের ফাঁসি হয়। ধারণা করা হয় ৭ই নভেম্বরে কর্নেল তাহেরের জনপ্রিয়তা দেখে জিয়াউর রহমান শংকিত ছিলেন। আবার জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তা ব্যবহার করে তাহের চেয়েছে মূলত জাসদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে। সেনা অফিসার হত্যার অভিযোগে তাই তাহেরকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি পেতে হয়। 

মুজিবের মত জিয়াও সেনাবাহিনীতে মুক্তিযোদ্ধাদের বিশ্বাস করতেন না। মুক্তিযোদ্ধাদের কোণঠাসা করে তাই তিনি অমুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের (যারা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানে ছিলেন) পদোন্নতি দেন।

জিয়ার আমলে ক্যু হয়েছে ২২ বার। এর মধ্যে ২১ বার তিনি তা ঠেকাতে পেরেছেন। ২২ তম ক্যু তে প্রাণ হারান। এভাবে মুক্তিযোদ্ধারা নিজেরাই নিজেদের রক্ত পান করেছে প্রায় দশ বছর। ধারণা করা হয় এসব ক্যু'তে মৃত্যুবরণ করেন প্রায় দুই সহস্রাধিক সেনাসদস্য।

তথ্যসূত্র:
১- জাসদের উত্থান পতন, অস্থির সময়ের রাজনীতি, মহিউদ্দিন আহমদ
২- অসমাপ্ত বিপ্লব, লরেন্স লিফশুলজ
৩- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, রক্তাক্ত মধ্য আগষ্ট ও ষড়যন্ত্রময় নভেম্বর, কর্ণেল শাফায়াত জামিল (অব.)