২১ জানু, ২০১৬

রাজাকার কি এবং রাজাকার কমান্ডারদের তালিকা

চিত্রঃ একজন রাজাকার সদস্যের পরিচয়পত্র

বাংলাদেশে সাধারণত ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজাকার বলা হয়। যদিও রাজাকার ছিল একটি আধাসামরিক বাহিনীর নাম। 

“রাজাকার” শব্দটির অর্থ হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক। বেসিক্যালি শব্দটা হচ্ছে “রেজাকার”। যেহেতু আমাদের দেশে রাজাকার বেশী ব্যবহৃত তাই আমিও রাজাকার শব্দটা ব্যবহার করছি। ১৯৭১ সনে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য তৎকালীন পাকিস্তান সরকার “আনসার আইন ১৯৪৮” বাতিল করে “রাজাকার অধ্যাদেশ ১৯৭১” অনুযায়ী এ বাহিনী গঠন করে। জেনারেল নিয়াজী এক সাক্ষাৎকারে মুনতাসীর মামুনকে বলেছিলেন যে, রাজাকার বাহিনীর তিনিই স্রষ্টা। বিলুপ্ত আনসার বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যরা সয়ংক্রিয়ভাবে নবগঠিত রাজাকার বাহিনীর কমান্ডার ও রাজাকার সদস্য হিসেবে গণ্য হন। জেনারেল রাও ফরমান আলীর সঙ্গে ১৩ মার্চ ২০১০ তারিখে প্রফেসর মুনতাসির মামুন ও মহিউদ্দিন আহমেদ কর্তৃক গ্রহণ করা সাক্ষাৎকারের অংশ তুলে দেয়া হলো”
-Can you elaborate on the formation of the civil armed forces saying that you formed the Razakars? 
-I think it had been formed by the Martial Law Head Quarter.
-Whose brainchild was the Force?
-Must have been the Core Commandant's 
-Who was at that time?
-Niazi. 
-You had no control over the Razakars?
-It was done by the Martial Law Headquarters.

এর বাইরে রাজনৈতিক কর্মী, স্থানীয় বখাটে, বেকার যুবকদের মধ্য থেকে প্রায় ৩৭০০০ জনকে এ বাহিনীতে রিক্রুট করা হয়। এ বিপুল সংখ্যায় রাজাকার রিক্রুট হওয়ার পিছনে অনেকগুলো কারণ কাজ করেছিল। বাংলাদেশের সবগুলো ইসলামপন্থী ও মুসলিম জাতীয়তাবাদী দলের কোনটিই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি । ফলে তাদের সমর্থকদের মধ্য থেকে একটা অংশ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজাকার বাহিনীতে শামিল হয় । তবে এ বাহিনীতে আদর্শবাদী লোকদের সংখ্যা ছিল খুবই নগণ্য। প্রকৃত পক্ষে নিয়মিত ভাতা, রেশন, স্থানীয় ক্ষমতার ব্যবহার এবং সর্বোপরি হিন্দু সম্প্রদায় ও স্বাধীনতার পক্ষের সদস্যদের ঘরবাড়ী ও বিষয়-সম্পত্তি অবাধে লুটপাট ও ভোগ দখল করার লোভে সমাজের সুযোগ-সন্ধানী এক শ্রেণীর লোক ব্যাপকহারে রাজাকার বাহিনীতে যোগদান করেন। 

কামরুদিন আহমদ তার “স্বাধীন বাংলার অভ্যুদয়” বইতে এ বিষয়ের একটা প্রকৃত চিত্র তুলে ধরেছেন । তিনি লিখেছেন, বাঙ্গালীদের রাজাকার বাহিনীতে ভর্তি হবার কতকগুলো কারণ ছিল, তা হলঃ 

১. দেশে তখন দুর্ভিক্ষাবস্থা বিরাজ করছিল । সরকার সে দুর্ভিক্ষের সময় ঘোষণা করল, যারা রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেবে, তাদের দৈনিক নগদ তিন টাকা ও তিন সের চাউল দেয়া হবে । এর ফলে বেশ কিছু সংখ্যক লোক, যারা এতদিন পশ্চিমা সেনার ভয়ে ভীত হয়ে সন্ত্রস্ত দিন কাটাচ্ছিল, তাদের এক অংশ এ বাহিনীতে যোগদান করল। 

২. এতদিন পাক সেনার ভয়ে গ্রামে-গ্রামাঞ্চলে যারা পালিয়ে বেড়াচ্ছিল, আত্মরক্ষার একটি মোক্ষম উপায় হিসেবে তারা রাজাকারদের দলে যোগ দিয়ে হাঁফ ছেড়ে বাচলো। 

৩. এক শ্রেণীর সুবিধাবাদী জোর করে মানুষের সম্পত্তি দখল করা এবং পৈতৃক আমলের শক্রতার প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ গ্রহণের জন্যেও এ বাহিনীতে যোগ দিয়েছিল।

রাজাকার বাহিনীতে ভর্তি হবার পর তাদের বুঝানো হলো যে, যুদ্ধে পাক সেনারা হারলে, পাক সেনাদের সঙ্গে সহযোগিতা করার অপরাধে মুক্তি বাহিনী তাদের সকলকে হত্যা করবে। সুতরাং জীবন রক্ষা করার জন্য মুক্তি বাহিনীর গুপ্ত আশ্রয়স্থলের সংবাদ তারা পাক সেনাদের জানিয়ে দিতে শুরু করে। 

খন্দকার আবুল খায়ের তার বই "১৯৭১-এ কি ঘটেছিলো, রাজাকার কারা ছিলো” এ লেখেন আমি যে জেলার লোক সেই জেলার ৩৭ টি ইউনিয়নের থেকে জামায়াত আর মুসলীম লীগ মিলে ৭০ এর নিবাচনে ভোট পেয়েছিল দেড়শতের কাছাকাছি আর সেখানে রাজাকারের সংখ্যা ১১ হাজার যার মাত্র ৩৫টি জামায়াতে ইসলামের ও মুসলিম লীগারদের। 
আমার কিছু গ্রামের খবর জানা আছে, যেখানে ৭১ এর ত্রিমুখী বিপর্যয়ের হাত থেকে বাচার জন্য গ্রামে মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, দুই দিকেই ছেলেদের ভাগ করে দিয়ে বাঁচার ব্যবস্থা করতে হবে । এই সিদ্ধান্ত মুতাবিক যে গ্রামের শতকরা ১০০ জন লোকই ছিল নৌকার ভোটার, তাদেরই বেশ কিছু সংখ্যক ছেলেদের দেয় রাজাকারে। যেমন কলাইভাঙা গ্রামের একই মায়ের দুই ছেলের সাদেক আহমদ যায় রাজাকারে আর তার ছোট ভাই ইজহার যায় মুক্তিফৌজে। 

রাজাকার বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী আবু সাইয়িদের মূল্যায়ন প্রায় একই; তিনি বলেন, বিভিন্ন তথ্যসূত্র থেকে প্রাপ্ত প্রমাণাদি হতে একথা বুঝতে অসুবিধা হবার কথা নয় যে, রাজাকার রাজাকারই; তবে সব রাজাকার এক মাপের ছিলো না । প্রাথমিকভাবে রাজাকার বাহিনীতে সমাজের বিভিন্ন স্তরের যুবক অন্তৰ্ভূক্ত হলেও তাদেরকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায়

১. যারা নিজেদের ইসলাম ও পাকিস্তান রক্ষা করার লক্ষ্যে পাক সামরিক বাহিনীকে সহায়তা, বাঙালী হত্যা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যুদ্ধ করাকে কর্তব্য মনে করেছিলো। যারা পাকিস্তানী জাতীয়তাবাদ বা মুসলিম জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী ছিলো। 

২. যারা হিন্দু সম্পত্তি দখল লুটপাট, ব্যক্তিগত গ্রামীণ রেষারেষিতে প্রাধান্য বিস্তার ও প্রতিশোধ গ্রহণ এবং নানান অপকর্ম করার সুযোগ গ্রহণ করেছিলো, এবং দেশ ছেড়ে যাওয়া অসম্ভব ছিল তাদের বেশিরভাগ পেটের তাড়নায় কর্মসংস্থানের জন্য এবং একই সাথে ভয়ভীতি এবং প্রলুব্ধ হয়ে রাজাকার বাহিনীতে নাম লেখাতে বাধ্য হয়।

রাজাকার বাহিনী সুশৃঙ্খল বাহিনী ছিলো না। বরং এদেরকে পাক বাহিনী দাবার ঘুটি হিসেবে ব্যবহার করেছে। অধিকাংশই হয়েছে বলির পাঠা। তাদেরকে সামনে রেখেই পাকবাহিনী সর্বত্র অগ্রসর হয়েছে 

রাজাকার বাহিনীর প্রধান কমান্ডার ছিলেন পুলিশের DIG আবদুর রহিম যাকে শেখ মুজিব স্বাধীনতা যুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা নির্ধারণের জন্য ১২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির প্রধান ও পরবর্তীতে সচিব করেছিলেন। রাজাকার বাহিনীর অন্যান্য কমান্ডারদের নাম-পরিচয় নিচে দেয়া হলঃ

রাজাকার বাহিনীর কমান্ডের সদস্যদের নাম-পরিচয়
১. এ এস এম জহুরুল হক, পরিচালক, সদর দপ্তর 

২. এম ই মৃধা, সহপরিচালক, সদর দপ্তর 

৩. মফিজুদ্দিন ভূইয়া, সহপরিবালক, পশ্চিম রেঞ্জ 

8. এম এ হাসনাত, সহ পরিচালক, কেন্দ্রীয় রেঞ্জ 

৫. ফরিদ উদ্দিন, এডজুডেন্ট, সদর দপ্তর 

৬. মোস্তাক হোসেন চৌধুরী, কমান্ডার, চট্টগ্রাম জেলা 

৭. শামসুল হক, কমান্ডার, সিলেট জেলা 

৮. এ এস এম জহিরুল হক, কমান্ডার, ঢাকা জেলা 

৯. এম মুজিবুর রহমান, কমান্ডার, বরিশাল জেলা 

১০. সিরাজুদ্দিন আহমেদ খান, কমান্ডার, খুলনা জেলা 

১১. আব্দুল হাই, কমান্ডার, যশোর জেলা 

১২. আরিফ আলী সরদার, কমান্ডার, পটুয়াখালী জেলা 

১৩. আসাদুজ্জামান তালুকদার, কমান্ডার, কুষ্টিয়া জেলা 

১৪. এ কে এম আব্দুল আজিজ, কমান্ডার, পাবনা জেলা 

১৫. এম হাবিবুর রহমান, কমান্ডার, রাজশাহী জেলা 

১৬. শামসুজ্জামান, কমান্ডার, বগুড়া জেলা 

১৭. আব্দুল ওয়াদুদ, কমান্ডার, দিনাজপুর জেলা 

১৮. আফতাব উদ্দিন আহমেদ, কমান্ডার, রংপুর সদর 

১৯. মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, কমান্ডার, মেহেরপুর মহকুমা 

২০. ফজলুল কবির, কমান্ডার, কুষ্টিয়া সদর মহকুমা 

২১. সাইফউদ্দিন চৌধুরী, কমান্ডার, কুষ্টিয়া সদর মহকুমা 

২২. এ টি এম ফজলুল করিম, কমান্ডার, কুষ্টিয়া সদর মহকুমা

২৩. ওয়াসিউদ্দিন তরফদার, কমান্ডার, চুয়াডাঙ্গা মহকুমা 

২৪. সাইফউদ্দিন চৌধুরী, কমান্ডার, বরগুনা মহকুমা 

২৫. মকবুল আলী খান, কমান্ডার, বরিশাল সদর(দক্ষিণ)মহকুমা 

২৬. তৈয়বুর রহমান, কমান্ডার, বরিশাল সদর (দক্ষিণ)মহকুমা 

২৭. খান জহিরুল হক, কমান্ডার, যশোর সদর মহকুমা 

২৮. আব্দুস সোবহান, কমান্ডার, যশোর সদর মহকুমা 

২৯. তৈয়বুর রহমান, কমান্ডার, কুড়িগ্রাম মহকুমা 

৩০. নূর আহমেদ, কমান্ডার, গাইবান্ধা 

৩১. আফজাল উদ্দিন সিকদার, কমান্ডার, জয়পুরহাট মহকুমা 

৩২. সোহরাব আলী মন্ডল, কমান্ডার, বগুড়া সদর মহকুমা 

৩৩. মাহমুদ জং, কমান্ডার, নবাবগঞ্জ মহকুমা 

৩৪. আব্দুল কাদির, কমান্ডার, নওগা মহকুমা 

৩৫. খাজা ফকির মোহাম্মদ, কমান্ডার, সিরাজগঞ্জ মহকুমা 

৩৬. তৈয়বুর রহমান, কমান্ডার, নড়াইল মহকুমা 

৩৭. আশরাফউদ্দিন আহমেদ, কমান্ডার, নড়াইল মহকুমা 

৩৮. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ, কমান্ডার, বাগেরহাট মহকুমা 

৩৯. মারুফ হোসেন, কমান্ডার, খুলনা মহকুমা 

৪০. জয়নুদ্দিন আহমেদ, কমান্ডার, সাতক্ষীরা মহকুমা 

৪১. তৈয়বুর রহমান খান, কমান্ডার, বরিশাল সদর মহকুমা 

৪২. আব্দুল সোবহান, কমান্ডার, ভোলা মহকুমা 

৪৩. দেওয়ান আক্তারউদ্দিন আহমেদ, কমান্ডার, ঝালকাঠি মহকুমা 

৪৪. আব্দুল মালেক খান, কমান্ডার, টাঙ্গাইল মহকুমা 

৪৫. শমসের আলী, কমান্ডার, টাঙ্গাইল মহকুমা 

৪৬. আনোয়ার উদ্দিন, কমান্ডার, জামালপুর মহকুমা 

৪৭. শমসের আলী, কমান্ডার, ময়মনসিংহ সদর (দক্ষিণ) মহকুমা 

৪৮. সৈয়দ মোঃ শাজাহান, কমান্ডার, ময়মনসিংহ সদর (দক্ষিণ) মহকুমা 

8৯. এ মালেক খান, কমান্ডার, ময়মনসিংহ সদর (উত্তর) মহকুমা 

৫০. খসরুজ্জামান, কমান্ডার, কিশোরগঞ্জ মহকুমা 

৫১. মতিউর রহমান খান, কমান্ডার, মানিকগঞ্জ মহকুমা 

৫২. আব্দুল কাইয়ুম খান, কমান্ডার, মানিকগঞ্জ মহকুমা

৫৩. খলিলুর রহমান, কমান্ডার, মুন্সীগঞ্জ মহকুমা

৫৪. এন এ হাসনাত, কমান্ডার, ঢাকা সদর (উত্তর) মহকুমা 

৫৫. চান্দ মিয়া, কমান্ডার, ঢাকা সদর (উত্তর) মহকুমা 

৫৬. কাজী জহরুল হক, কমান্ডার, ঢাকা সদর (দক্ষিণ) মহকুমা 

৫৭. মুস্তাফিকুজ্জামান, কমান্ডার, ঢাকা সদর (দক্ষিণ) মহকুমা 

৫৮. ফরিদউদ্দিন, কমান্ডার, ঢাকা সদর (দক্ষিণ) মহকুমা 

৫৯. মোহাম্মদউল্লাহ, কমান্ডার, নারায়ণগঞ্জ মহকুমা 

৬০. আবুল কাসেম খান, কমান্ডার, গোয়ালন্দ মহকুমা 

৬১. আবুল কাসেম খান, কমান্ডার, ফরিদপুর সদর মহকুমা 

৬২. আব্দুল লতিফ মিয়া, কমান্ডার, ফরিদপুর সদর মহকুমা 

৬৩. মুনসুর আলী, কমান্ডার, গোপালগঞ্জ মহকুমা 

৬৪. রুহুল আমিন খান, কমান্ডার, মাদারীপুর মহকুমা 

৬৫. এ বি এম আশরাফ উদ্দিন, কমান্ডার, সিলেট সদর মহকুমা 

৬৬. এ টি এম মহিউদ্দিন, কমান্ডার, হবিগঞ্জ মহকুমা 

৬৭. সাঈদুর রহমান, কমান্ডার, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া মহকুমা 

৬৮. এস ইসমাইল চৌধুরী, কমান্ডার, কুমিল্লা সদর (উত্তর) মহকুমা 

৬৯. সৈয়দ মোহাম্মদ শাহজাহান, কমান্ডার, কুমিল্লা সদর (দক্ষিণ) মহকুমা 

৭০. সাঈদ আলী, কমান্ডার, চাঁদপুর মহকুমা 

৭১. আব্দুল হালিম চৌধুরী, কমান্ডার, ফেনী মহকুমা 

৭২. সিরাজুল হক, কমান্ডার, নোয়াখালী মহকুমা 

৭৩. সিরাজুল হক, কমান্ডার, চট্টগ্রাম সদর (উত্তর) মহকুমা 

৭৪. এ এস এরশাদ হোসেন, চট্টগ্রাম সদর (দক্ষিণ) মহকুমা

পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অধ্যাদেশ ১৯৭১ঃ



তথ্যসূত্রঃ
১- শাস্তি কমিটি, মুনতাসির মামুন । 
২- বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধ ; বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ
৩- মূলধারা, ‘৭১, মঈদুল হাসান
৪- স্বাধীন বাংলার অভ্যুদয় এবং অতঃপর, কামরুদ্দিন আহমদ 
৫- ১৯৭১-এ কি ঘটেছিলো রাজাকার কারা ছিলো, খন্দকার আবুল খায়ের  
(মুক্তিযুদ্ধকালে শেখ মুজিবের ভাই শেখ নাসের ৩৫ দিন লুকিয়ে ছিলেন এবং অনেক ন্যাপ ও আওয়ামী লীগ নেতা আশ্রয় নিয়েছিলেন জামায়াত নেতা ও লেখক খন্দকার আবুল খায়েরের যশোরের বাড়িতে)
৬- সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার প্রেক্ষিত ও গোলাম আযাম, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ
৭- মুক্তিযোদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান, এ এস এম সামছুল আরেফিন
৮- দি ঢাকা গেজেট, ২ সেপ্টেম্বর

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন